
বিশ্বজুড়ে স্প্যাম কল আসার হার গত বছরের তুলনায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে।অপরিচিত মোবাইল নম্বর শনাক্তকারী অ্যাপ ট্রুকলারের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।স্টকহোম ভিত্তিক অ্যাপটি জানিয়েছে, জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে স্প্যাম কল রিসিভ করার সংখ্যা ছিল এক হাজার ৭৭০ কোটি। গত বছর এ সংখ্যা ছিল সাড়ে পাঁচশ’ কোটি।অনাকাঙ্ক্ষিত ফোন আসলে তা স্প্যাম কল হিসেবে গণ্য করা হয়। লটারি জেতার ভুয়া খবর দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া বা পণ্যের প্রচারণায় অপরিচিত ব্যক্তিদেরকে ফোন দেওয়া হলে তা স্প্যাম কলের আওতায় পরে।এ বছর সবচেয়ে বেশি অনাকাঙ্ক্ষিত কলের যন্ত্রণা সহ্য করেছেন ব্রাজিলিয়ানরা।
প্রতি মাসে এক জন ব্যবহারকারী গড়ে ৩৭টি করে স্প্যাম কল রিসিভ করেছেন। চলতি বছর দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়াতেও স্প্যাম কলের সংখ্যা বেড়ে যায়। গত বছর স্প্যাম কল আসার হার ছিলো ২০ শতাংশ।২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি স্প্যাম কল এসেছিলো ভারতীয়দের কাছে। এবার ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। প্রতিমাসে গড়ে ২২টি করে অনাকাঙ্ক্ষিত কল রিসিভ করেছে ভারতীয়রা।তবে মজার ব্যাপার হলো ব্রাজিল ও ভারতে ৯১ শতাংশ স্প্যাম কলই এসেছে টেলিকম অপারেটরদের কাছ থেকে। ডেটা প্ল্যান ও বিভিন্ন অফার সম্পর্কে গ্রাহকদেরকে জানাতে প্রতিনিয়ত ফোন করে থাকে টেলিকম অপারেটরগুলো।ভারতের পর সবচেয়ে বেশি স্প্যাম কল করা হয়েছে চিলি, সাউথ আফ্রিকা ও ম্যাক্সিকোতে। এ তালিকার শীর্ষ ২০ এর মধ্যে বাংলাদেশের নাম নেই।
তথ্য সুত্র: টেকশহর
Post a Comment