
স্মার্টফোনপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রে এখন ভাঁজ করা ডিসপ্লের ফোন। স্যামসাংকে পেছনে ফেলে রয়োলের চমকের পর এ ফোন তৈরির দৌঁড়ে সামিল হচ্ছে আরও ব্র্যান্ড। এখনও হাতে না আসলেও সামনের দিনগুলোতে বাজার চাহিদা কেমন হতে তা নিয়ে জল্পনা কল্পনার পাশাপাশি চলছে গবেষণাও।ফোল্ডেবল ফোন তৈরির এ ট্রেন্ড সহজে থামছে না বলে মনে করছে লন্ডনভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএইচএস মার্কিট। তাদের অনুমান, ২০২৫ সালের মধ্যে বাজারে সরবরাহ করা হবে পাঁচ কোটি অ্যামোলেড স্ক্রিনের ফোল্ডেবল ফোন।এখন পর্যন্ত শুধু রয়োল কর্পোরেশন ও স্যামসাং নতুন এ স্মার্টফোন উন্মোচন করেছে। বাকি কোম্পানিগুলোও হাত গুটিয়ে বসে নেই। জানা গেছে, এলজি, হুয়াওয়ে, অপ্পো ও শাওমিও শামিল হয়েছে ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আনার দৌঁড়ে।এ ফোন নিয়ে ব্যাপক উচ্ছাস থাকলেও মার্কিট জানিয়েছে, এরপরও অনেক দিন পর্যন্ত সাধারণ স্মার্টফোনই থাকবে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। কারণ আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে অ্যামোলেড ফোন সরবরাহ করা হবে সাড়ে ৮২ কোটি। এর মধ্যে শুধু ৬ শতাংশ হবে ফোল্ডেবল ফোনের অ্যামোলেড স্ক্রিন।আইএইচএস মার্কিটের ডিসপ্লে রিসার্চ বিভাগের প্রধান বিশ্লেষক জেরি কাং জানিয়েছেন, ফোন নির্মাতারা ফোল্ডেবল স্মার্টফোনগুলো নিয়ে বেশ সতর্ক। কারণ বারবার এগুলো খুলতে ও বন্ধ করতে হয়। তাই তারা ফোল্ডেবল অ্যামোলেড ডিসপ্লের প্রতি ঝুঁকছেন।অ্যামোলেড ডিসপ্লের চাহিদা এখনও বেশ কম থাকায় ডিসপ্লে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাচ্ছে স্মার্টফোন নির্মাতারা এ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করুক। অনেক ডিসপ্লে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অতি উৎসাহী হয়ে ফোল্ডেবল অ্যামোলেড প্যানেলের নতুন কারখানাও করছে।মার্কিট জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষ প্রান্তিকে উৎপাদিত মোট অ্যামোলেড ডিসপ্লের অর্ধেকই হবে ফ্লেক্সিবল অ্যামোলেড ডিসপ্লে।
Post a Comment