আমরা রোবট নই, মানুষ



কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটাতে ইউরোপে আন্দোলনে নেমেছে অ্যামাজনের ওয়্যারহাউজের কয়েক হাজার কর্মী।যুক্তরাষ্ট্রের থ্যাংকস গিভিং ডে উপলক্ষে অ্যামাজন তাদের পণ্যে ভালো পরিমাণে ছাড় দিয়ে থাকে। এতে পণ্য বিক্রিও বহু গুণে বেড়ে যায়। এতে ই-কমার্স সাইট অ্যামাজন ও ক্রেতা, উভয় পক্ষই লাভবান হয়। তবে ধকল যায় অ্যামাজনের ওয়্যারহাউজ কর্মীদের উপর দিয়ে।

ওয়্যারহাউজগুলো থেকেই পণ্য ডেলিভারি দিয়ে থাকে ই-কমার্স জায়ান্টটি। তাদেরকে কোনো বিরতি ছাড়াই এক নাগাড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করে যেতে হয়। অ্যামাজনের সিইও জেফ বেজসকে নিজেদের দুরবস্থার কথা জানাতে ব্ল্যাক ফ্রাইডেকেই বেছে নিয়েছে তারা।কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নত করার দাবিতে স্পেন, ইতালি, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের প্রায় দুই হাজার কর্মী ২৪ ঘণ্টার এ ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন। অনলাইনেও হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘অ্যামাজন উইআরনট রোবটস’ লিখে অন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে তারা।ব্রিটিশ ট্রেড ইউনিয়ন জিএমবি জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা অমানবিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে রাগান্বিত। তাই তারা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে।হাড়ভাঙ্গা খাটনির পর কর্মীরা অচেতন হয়ে পড়লে তাদেরকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়।

এর প্রতিবাদেই বলছি অনেক হয়েছে। তাদেরও পরিবার চালাতে হয়, বিল পে করতে হয়। তারা রোবট না। এই লোকগুলোই অ্যামাজনকে ধনী বানাচ্ছে।জিএমবির জেনারেল সেক্রেটারি টুম রোচ সংগঠনটির ওয়েবসাইটে লিখেছেন, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজস এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী। এই সমস্যা সমাধানের সামর্থ্য তার আছে। কর্মীদের যা প্রাপ্য তা যাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তা নিশ্চিত করতেই এ আন্দোলন চালানো হচ্ছে।কর্মীরা কাজে যোগ না দেওয়ায় এখন ওয়্যারহাউজগুলোর ম্যানেজাররা পণ্য প্যাকেট করার কাজে যোগ দিয়েছেন।এবারই প্রথম নয়। এর আগে গত জুলাইয়ে অ্যামাজনের আরেক শপিং ইভেন্ট প্রাইম ডে-তে কর্মীবান্ধব পরিবেশের দাবিতে ধর্মঘট পালন করে ইউরোপের কর্মীরা। তথ্য সুত্র: টেকশহর

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates