
২০১০ সালে বাজারমূল্যে সবচেয়ে কাছাকাছি প্রতিষ্ঠান হওয়ার পর প্রথমবারের মতো অ্যাপলকে টপকে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হয়েছে মাইক্রোসফট।গত আগস্টে প্রথম ট্রিলিয়ন ডলার কোম্পানি হিসেবে নাম লেখানোর রেকর্ড গড়া অ্যাপলের বাজার শেয়ার পড়ে গেলে মাইক্রোসফট শীর্ষস্থান দখল করে।গত শুক্রবার মাইক্রোসফটের বাজারমূল্য দাঁড়ায় ৭৫ হাজার ৩৩০ কোটি মার্কিন ডলার। অন্যদিকে অ্যাপলের বাজারমূল্য সেদিন দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৬৮০ কোটি মার্কিন ডলার।অ্যাপলের এমন হালের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটি নতুন আইফোন আনার পর প্রত্যাশা অনুযায়ী তা বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়েছে।তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে আরেক মার্কিন ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন। প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য ৭৩ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার।
অন্যদিকে ৭২ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার নিয়ে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট।এমএসপাওয়ার ইউজার ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে সময় ফেইসবুক গুগলের মতো প্রতিষ্ঠান ব্যবহারকারীর ডেটা নিয়ে মেতেছে ঠিক তখনই ক্লাউডসহ অন্যান্য বিষয়ে নজর জোরদার করে এগিয়ে গেছে মাইক্রোসফট।মাইক্রোসফট তাদের ক্লাউড, গেইমিং এবং সারফেস ল্যাপটপ থেকে আয় বাড়িয়েছে। ২০১৯ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি আয় করেছে দুই হাজার ৯১০ কোটি ডলার। আর মুনাফা করেছে ৮৮০ কোটি ডলার।
আগের হিসাবে থেকে দেখা যায়, ওই প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির আয় বেড়েছে ১৯ শতাংশ, মুনাফা ৩৪ শতাংশ।মাইক্রোসফট প্রধান নির্বাহী সাত্যিয়া নাদেলা এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা ২০১৯ অর্থবছরের শুরুটা খুব সুন্দভাবে করতে পেরেছি। এটা সম্ভব হয়েছে আমাদের গ্রাহকদের উপর আস্থা আর ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে।এই সময়ে ক্লাউড থেকে আয় ২৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬০ কোটি ডলার। ক্লাউড সার্ভারে আয় বেড়েছে ২৮ শতাংশ।
অ্যাজুর ক্লাউডে তা বেড়ে ৭৬ শতাংশ হয়েছে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।এছাড়াও পারসোনাল কম্পিউটিং থেকে এক হাজার ৭০ কোটি ডলার এসেছে, যা ১৫ শতাংশ বেড়েছে। মাইক্রোসফট বলছে, এর বাইরে উইেন্ডাজের ব্যবসায়িক পণ্য ও ক্লাউড সার্ভিস থেকে আয় বেড়েছে ১২ শতাংশ।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থবছর গণনা শুরু হয় ১ অক্টোবর থেকে।তথ্য সুত্র: টেকশহর
Post a Comment