স্মার্টওয়াচ হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে শিশুদের



শিশুদের নজরে রাখতে পশ্চিমা দেশগুলোয় বেশ জনপ্রিয় স্মার্টওয়াচ মাইসেফস। এটিকে শিশুর নিরাপত্তায় অন্যতম বড় গেজেট হিসেবে দেখা হয়।তবে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, শুধু মাইসেফসই নয়, শিশুদের জন্য বাজারে থাকা সব স্মার্টওয়াচই হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। সতর্কবার্তা দিয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, শিশুদের স্মার্টওয়াচগুলো তাদের ব্যবহৃত তথ্য সুরক্ষিত রাখতে পারে না। এমনকি তাদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে পারে না। এসব গেজেট খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে হ্যাকাররা। স্মার্টওয়াচগুলো হ্যাক করে তারা শিশুর চলাফেরা ও কথাবার্তায় নজরদারি চালাতে পারে। সবচেয়ে ভয়ের কথা, অভিভাবকের পরিচয়ে হ্যাকাররা শিশুর কাছে ভূয়া কলও করতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে মাইসেফসের মতো স্মার্টঘড়িগুলো বাজার থেকে তুলে নেয়া উচিত। সম্প্রতি বিবিসি ও বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল মাইসেফসের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কিডস ওয়াচার প্লাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের পণ্যে নিরাপত্তা ত্রুটির বিষয়টি জানায়। তবে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কোনো সাড়া মেলেনি। ২০১৫ সালে মাইসেফস প্রথম বাজারজাত করা হয়। এতে জিপিএস সেন্সর ছাড়াও রয়েছে টু-জি মোবাইল ডাটা সংযোগ। জিপিএস সেন্সরের মাধ্যমে স্মার্টফোন অ্যাপের সাহায্যে অভিভাবকরা তার সন্তান কোথায় আছে তা জানতে পারেন। এছাড়া স্মার্টওয়াচের বিশেষ অপসনে গিয়ে তারা শিশুর জন্য একটি নিরাপদ এলাকাও তৈরি করতে পারেন। শিশু সেই এলাকার বাইরে গেলেই স্মার্টওয়াচ সংকেত পাঠাবে।
তথ্য সুত্র: টেকশহর

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates