জিন-কোড ম্যাচিং হবে গবেষণাগারে?



আপনার যদি ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পেতে ডেটিং অ্যাপের প্রতি অনীহা থাকে, তাহলে সুখবর হচ্ছে, ভবিষ্যতে এই বিষয়টি অতীত হতে চলেছে।

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষকরা জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের মধ্যে একাকী মানুষদের ডিএনএর ওপর ভিত্তি করে তাদের জন্য পছন্দের সঙ্গী নির্বাচনের প্রক্রিয়াটি গবেষণাগারে সম্পন্ন হবে। উপযুক্ত প্রেমিক-প্রেমিকা ডিএনএ ম্যাচিং করে নির্বাচন করা হবে।

সমাজ, স্বাস্থ্য ও জনতাত্ত্বিক ডেটা বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে একটি নতুন প্রতিবেদনে, গবেষকরা ডেটিংয়ের ভবিষ্যতের এই ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। গবেষণা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে অনলাইন ডেটিং সাইটগুলোতে প্রোফাইলের ওপর ভিত্তি করে পছন্দের সঙ্গী খোঁজার বিষয়টি সেকেলে পদ্ধতিতে পরিণত হতে পারে। তখন ডেটিং সাইটগুলো আপনাকে উপযুক্ত সঙ্গী সাজেস্ট করবে জীনগত মিল এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে স্বভাব ও শারীরিক রসায়ন ম্যাচিং করে।

সঙ্গী পছন্দের ক্ষেত্রে কোন জিনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তা ইতিমধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে। নির্দিষ্টভাবে, মেজর হিস্টোকমপ্যাটিবিলিটি কমপ্লেক্স (এমএইচসি) জিন, যা আমাদের ইমিউন সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে, এই জিনগুলোই আমাদের মনে সঙ্গী পছন্দে ভূমিকা রাখে।

এমএইচসি জিন কোড বিশ্লেষণ করে গবেষকরা জানিয়েছেন, অনলাইন ডেটিং প্ল্যাটফর্মগুলো ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারবে যে, অনলাইনে যারা একে অপরের প্রতি আকর্ষিত হয়, তারা পরবর্তী জীবনেও একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হবে কিনা।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, জিন-কোড ম্যাচিং প্রযুক্তি চালু হতে যদিও তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে, তবে ডেটা এবং প্রারম্ভিক কাজ শুরু হয়ে গেছে। যার ফলাফল হচ্ছে, ২০২৫ সালের মধ্যে অনেকেরই পছন্দের সঙ্গী নির্বাচন প্রক্রিয়াটি গবেষণাগারে সম্পন্ন হবে।

তথ্যসূত্র : মিরর

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates