ডব্যান্ড ওয়াইফাই ও মোবাইল ইন্টারনেট গতি সমান



দেশে ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাই ও মোবাইল ইন্টারনেট গতির তেমন কোনো পার্থক্য নেই।ওয়াইফাইয়ে গড় ডাউনলোডের গতি ৫ দশমিক ২ মেগাবাইট। অন্যদিকে, মোবাইল ইন্টারনেটে এই গতি ৫ দশমিক ১ মেগাবাইট। ওপেন সিগনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চালানো এক জরিপের ফলাফলে এমনটা উঠে এসেছে।প্রতিষ্ঠানটির ওই জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, পাকিস্তানসহ বিশ্বের অন্তত ৩৩ দেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি ওয়াইফাইয়ের চেয়ে বেশি।এই ৩৩ দেশের মধ্যে রয়েছে আফ্রিকা, ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।

অন্যদিকে, মোবাইল ইন্টারনেটে গড়ে অন্তত ১০ এমবিপিএস গতি পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়া, ওমান ও চেক প্রজাতন্ত্রে।বিশ্বের অনেক দেশেই মোবাইল ইন্টারনেট ও ব্রডব্যান্ড ওয়াইফাইয়ের গতি প্রায় সমান। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে হাঙ্গেরি, বেলজিয়াম ও নরওয়ে। এসব দেশে ওয়াইফাই ও মোবাইল ইন্টারনেটের গতি যথাক্রমে ৩১ দশমিক ১ ও ৩১ দশমিক ৭, ৩৪ দশমিক ৩ ও ৩৪ দশমিক ৫ এবং ৪৩ দশমিক ৯ ও ৪২ দশমিক ৮ এমবিপিএস।শক্তিশালী মোবাইল ইন্টারনেট রয়েছে হংকং, সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে।

যেগুলোতে অনেক আগেই উন্নতমানের ফোরজি নেটওয়ার্ক দেওয়া হয়েছে। আর তাদের গড় ডাউনলোড গতি ২৫ এমবিপিএস।প্রতিষ্ঠানটি অবশ্য বলছে, শক্তিশালী ওয়াইফাই নেটওয়ার্কেও অতিরিক্ত ব্যবহারকারীর কারণে এর গতি শোচনীয় হয়ে পড়ে। ফলে সেসব ক্ষেত্রে ফলাফল অবশ্যই আলাদা হিসেবে ধরা হয়েছে।মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতিতে সবার উপরে আছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে গড় মোবাইল ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৪ দশমিক ৬ মেগাবাইট। সেখানে ওয়াইফাইয়ের গতি ২১ দশমিক ৬ মেগাবাইট।সবচেয়ে কম হিসেবে রয়েছে আলজেরিয়া। দেশটিতে মোবাইল ইন্টারনেট গতি ৩ দশমিক ১ মেগাবাইট।

আর ওয়াইফাইয়ে গতি ১.৩ মেগাবাইট।ওই জরিপে অবশ্য বলা হয়েছে, এই অবস্থা অবশ্য পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। কারণ বিশ্বের অনেক দেশেই এখন ফোরজি নেটওয়ার্ক দিয়ে দিয়েছে। এমনকি ফাইভজি নেটওয়ার্ক দরজায় কড়া নাড়ছে। সেটি এলে জনবহুল জায়গাতেও খুব দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। তথ্য সুত্র: টেকশহর

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates