
এই মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক যেন একটা শোকগাঁথা লেখার খাতা। যেখানে সবাই লিখছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের জন্য শোকগাঁথা।আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ফুসফুস ক্যান্সার নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন থেকেই থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।সৈয়দ আশরাফের মৃত্যু সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে ফেইসবুক ভরে যায় শোকের কথায়। ফেইসবুকের টাইমলাইনে ঘুরে ফিরে এসেছেন তিনি।একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদ হিসেবে সৈয়দ আশরাফ সব মহলেই সমাদৃত ছিলেন। এমন রাজনীতিবিদকে দেশে খুব প্রয়োজন জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক লিখেছেন, একজন ভালো ‘রাজনীতিবিদ’-এর প্রস্থান। তাঁর মতো রাজনীতিবিদের বেশি বেশি দরকার ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে। শ্রদ্ধা।
সন্মান আর ভালবাসায় নিজেকে পরিপূর্ণ করে অকালে চলে গেলেন না পেরার দেশে, প্রীয় রাজনীতিবিদ সততার স্বপ্ন দ্রুত সৈয়দ আশরাফ ভাই, ভাল থাকবেন পরপারে। আমরা খুবই মর্মাহত শোকাহত। আল্লাহ আপনাকে বেহেশতে নচিব করুক আমিন, লিখেছেন আবুল বাসার।দেবাশীষ রয় নামের একজন লিখেছেন, প্রচার-গলাবাজি না করেও নীরবে-নিভৃতে আপনি স্বচ্ছ আর শুদ্ধ রাজনীতির যে আলো ছড়িয়েছেন; সেই আলোর ঐশ্বরিক ব্যাপ্তিতে আপনি অমর থাকবেন, নেতা। স্বর্গপ্রাপ্তি হোক আপনার…ফেইসবুকের টাইম লাইনে গিয়ে স্ক্রল করলে দেখা যাচ্ছে অন্তত ১০টি পোস্টের মধ্যে গড়ে আটটি পোস্ট সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে স্মরণ করে দেওয়া বা তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে দেয়া।নিখিলেশ ঘোষ লিখেছেন, একজন নক্ষত্রের প্রয়াণ।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পাতায় এই নক্ষত্রের নামটি জুড়ে থাকবে ইতিহাসের খাতায়।একাদশ সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সাংসদ হিসেবে শপথের কথাও ছিল। কিন্তু গত বছরের সেপ্টেম্বরে তিনি সংসদ থেকে ছুটি নিয়ে চিকিৎসা করাতে থাইল্যান্ড গিয়েছিলেন।সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১৯৫২ সালের ১ জানুয়ারিতে ময়মনসিংহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন।
তথ্য সুত্র: টেকশহর
Post a Comment