ডিএসএলআরে তোলা ছবিকে নিজেদের বলল স্যামসাং!



স্মার্টফোন আসার পর ছবি তোলা এখন আঙুল ছোঁয়া মাত্র। কোনো পোজ বা ভঙ্গিমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। নেই কোনো আলাদা ক্যামেরার প্রয়োজন। শুধু মনের ইচ্ছে হলেই হয়। যেকোনো সময়, যেকোনো ভাবে ছবি তোলা যায় স্মার্টফোনে।

কিছু কিছু স্মার্টফোন দাবি করে তাদের ফোনের ক্যামেরা ডিএসএলআরের মতোই। ফলে অনেকে ক্যামেরা কেনার বাজেট ফোন কেনার বাজেটের সঙ্গে যুক্ত করে কিনে ফেলে সেই ফোন। এতে ওজনদার ক্যামেরা নিয়ে যেমন ঘুরতে হচ্ছেনা, তেমনি সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ফোনও পাওয়া যাচ্ছে।

নিজেদের মোবাইলের ক্যামেরা সবচেয়ে ভালো দেখাতে স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো ফোনের বিজ্ঞাপনে নানা ছবি ব্যবহার করে থাকে। সাধারণত এইসব ছবি সংশ্লিষ্ট মোবাইলেই তোলা হয়ে থাকে। ফলে গ্রাহকদের সেই মোবাইলের ক্যামেরা সম্পর্কে একটা ধারণা তৈরি হয়।

সম্প্রতি স্যামসাং মালয়েশিয়া স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এ৮ স্টার ফোনের বিজ্ঞাপনে যে ছবিটি ব্যবহার করেছে তা একজন মহিলার ডিএসএলয়ারে তোলা একটি ছবি অনলাইন ছবি মার্কেট থেকে কিনে ফটোশপে এডিট করে ব্যবহার করা হয়েছে। সার্বিয়ান ফটোগ্রাফার ডুনজা ডিজুডজিক দাবি করেন এটা তার ডিএসএলয়ারে তোলা ছবি। ছবিটা তিনি আইইএম নামের ছবি ক্রেতা সাইটে বিক্রি করেছিলেন। তারা বিখ্যাত ছবি সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠান গেটি ইমেজকে ছবি সরবরাহ করে থাকে।

ডুনজা ডিজুডজিকের দাবি, তার ছবিটাকে ফটোশপে কারুকার্য করে ব্যবহার করেছে স্যামসাং মালয়েশিয়া। তাদের উপস্থাপিত ছবি দেখলে যেকোনো গ্রাহক ভাববে ছবিতা বোধহয় স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৮ স্টারে তোলা ছবি। ডুনজা ডিজুডজিক আরো দাবি করেন, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড যেমন বদলে ফেলা হয়েছে তেমনি ছবিতে থাকা রমণীর চুলের রঙ হালকা ধূসর কালো থেকে লালচে কালো করা হয়েছে। ডুনজা ডিজুডজিকের মতে, স্যামসাংয়ের মতো এমন বড় প্রতিষ্ঠান তার গ্রাহকের সঙ্গে এমন প্রতারণা করতে পারেনা। তারা তাদের মোবাইলে তোলা ছবি, তা যেমনই হোক না কেন, সেটাই ব্যবহার করা উচিৎ। যদিও ছবির জন্য ডুনজা ডিজুডজিক টাকা পেয়েছেন, সেজন্য এই নিয়ে তার কিছু বলার নেই। কিন্তু মোবাইল ফোনের ক্যামেরার সামর্থ্য বোঝাতে ডিএসএলয়ারের ছবি ব্যবহারের বিষয়টি অনেকেই মেনে নিতে পারেনি। এ ব্যাপারে অবশ্য স্যামসাং এর অফিসিয়াল কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সোর্স: রাইজিংবিডি

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates