২০২০ সালে শীর্ষে থাকবে হুয়াওয়ে!



চীনের ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে ২০২০ সালের মধ্যে শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানি হওয়ার লক্ষে কজ করছে।এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে মার্কেট শেয়ারের দিক দিয়ে অ্যাপলকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্র্যান্ডটি। বর্তমানে তারা কেবল স্যামসাংয়ের পেছনে রয়েছে।সংবাদ মাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হুয়াওয়ের কনজিউমার ডিভিশনের সিইও রিচার্ড ইউ বলেন, সামনের বছর এক নম্বর স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হওয়ার খুব কাছাকাছি চলে যাবো। হয়তো স্যামসাংয়ের বরাবর হতে পারবো। ২০২০ সাল নাগাদ শীর্ষ ব্র্যান্ড হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়ে যাবে।অ্যাপলকে টপকে গেলেও তারা স্মার্টফোন ব্যবসায় আসে ২০১০ সালে। এর তিন বছর আগেই প্রথম আইফোন বাজারে আনে অ্যাপল।ফোনের বাইরে হুয়াওয়ে মোবাইল নেটওয়ার্কিং ইকুইপমেন্ট তৈরি করে। এই খাতেও প্রতিষ্ঠানটি বেশ প্রভাব বিস্তার করে আছে।

এক সময় তারা ছিলো অরিজিনাল ডিজাইন ম্যানুফ্যাকচারার (ওডিওম), অর্থাৎ অন্যান্য কোম্পানির জন্যও ডিভাইস তৈরি করতো।ওডিএম থেকে স্মার্টফোন জায়ান্ট হওয়ার যাত্রাটা শুরু করেন রিচার্ড ইউ। তিনি প্রথমে হুয়াওয়ের বিজনেস টু বিজনেস বিভাগে কাজ করতেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে তিনি  হুয়াওয়ের কনজিউমার ডিভিশনের সিইও হিসেবে যোগ দেন। তিনিই সিদ্ধান্ত নেন, ফিচার ফোন নয় স্মার্টফোন তৈরি করবে হুয়াওয়ে।ক্রেতাদের চাহিদা বুঝে বড় স্ক্রিনের ফোনে শক্তিশালী ব্যাটারি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় হুয়াওয়ে।আগামী বছরগুলোতে ফোল্ডেবল ফোন, ফাইভজি প্রযুক্তি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি গ্লাস আনতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।ইতোমধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) সমৃদ্ধ কিরিন ৯৮০ প্রসেসরটি তারা মেট ২০ ফোনে ব্যবহার করেছে।এ বিষয়ে  রিচার্ড ইউ বলেন, আগামীতে এআইয়ের মাধ্যমেই সব রকম সেবা পাওয়া যাবে।

সব অ্যাপকে সংযুক্ত করবে এআই। এই প্রযুক্তি কতোটা শক্তি শালী হবে তার উপরেই নির্ভর করবে ফোনের সক্ষমতা।তবে শুধু হার্ডওয়্যার ব্যবসাই নয়, ক্লাউড স্টোরেজ, মিউজিক স্ট্রিমিং ‌ও ভিডিও কনন্টেন্ট দেখার প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছে হুয়াওয়ে। তবে চীনের বাইরে এসব সেবার ব্যাপারে খুব কম মানুষই জানেন।
তথ্য সুত্র: টেকশহর

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates