তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের প্রস্তাব তৈরি



তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের জন্যে প্রস্তাব তৈরি বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।‘আমাদের সামনে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল এখন অনিবার্য বিষয়। এটি কেমন করে করবো, কীভাবে করবো, সেই প্রস্তাব তৈরি করেছি। সরকারি নিয়মে প্রকল্প তৈরি করে পেশ করতে হয়, তার জন্য কাজ চলছে।

মোস্তাফা জব্বার জানান, দেশে ব্যান্ডউথের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। এমন হয়েছে , আন্তর্জাতিক অংশে দেয়ার জন্য যে ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ছিল সেটিও দেশে ব্যবহার করতে হবে। দ্রুত চেষ্টা করা হচ্ছে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে কবে নাগাদ সংযুক্ত হওয়া যায়।২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-ইউ-৪’ এ যুক্ত হয়, যার মাধ্যমে এখন প্রায় ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি-মি-উই-৫ ক্যাবল হতে এখন ৩০০ জিবিপিএসের মতো ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হচ্ছে। যদিও দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ক্ষমতা ১৫০০ জিবিপিএস। অন্যদিকে ভারত হতে প্রায় ২২০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আসছে।সে হিসাবে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের ১২০০ জিবিপিএস এখন অব্যবহৃত রয়েছে।মন্ত্রী বলছেন, এই ক্যাপাসিটির পুরোটাই ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ ফুরিয়ে যাবে।

২০১৯ সালের জুনের মধ্যে দেশের দ্বীপ, ছিটমহল, প্রত্যন্ত এলাকা হতে কোনো জায়গা বাদ থাকবে না যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ থাকবে না। এছাড়া ফোরজির সম্প্রসারণ হতে থাকবে। ফলে চাহিদা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেবে।‘এছাড়া প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল সিমিইউ-৪ এর যে অবস্থা, সেটির কোয়ালিটি যা- তা খুব  বেশি দিন ব্যবহারের অবস্থায় থাকবে না। হয়ত দ্রুতই সেটি ব্যবহার করার জায়গা হতে বের হয়ে আসতে হবে। ফলে সেটি ক্যাপাসিটিও তৈরি রাখতে হবে।’-বলেন তিনি।বিএসসিসিএলের এমডি মশিউর রহমান টেকশহরডটকমকে জানিয়েছেন, এটির রুট বাংলাদেশ হতে সিঙ্গাপুর। সক্ষমতাসহ ইত্যাদি বিষয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এর জন্য প্রকল্প তৈরির কাজ চলছে, তৈরি হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে।দেশের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের ব্যবহার চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে ৮২০ জিবিপিএসে এসেছে। এর আগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের শেষে দেশে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের ব্যবহার প্রথমবারের মতো পাঁচশ জিবিপিএস ছাড়িয়ে যায়।এরপর মাত্র আট মাসের মধ্যে আরও তিনশ’ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউথের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে দেশে ফোরজি চালু, ফাইবার অপটিক সংযোগের প্রসারসহ সামগ্রিক ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়াকেই কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা ।

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates