হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের ৮ প্রকল্প



যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা আয়োজিত বিশ্বের অন্যতম হ্যাকাথন প্রতিযোগিতা ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ’। আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতার মূল পর্বে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ থেকে ৮টি প্রকল্প চূড়ান্ত করা হয়েছে।

মূল পর্বে অংশগ্রহণের প্রকল্প চূড়ান্ত করার জন্য দেশে চতুর্থবারের মতো নাসার এই প্রতিযোগিতার স্থানীয় আয়োজক হিসেবে কাজ করে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) ও সহযোগিতা করে বেসিস স্টুডেন্টস ফোরাম।

বেসিসের আয়োজনে প্রতিযোগিতায় দেশের ৯টি শহর থেকে দুই হাজারেরও বেশি প্রকল্প জমা পড়ে। সেখান থেকে শীর্ষ ৪০টি প্রকল্পকে নিয়ে ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে ১৯-২০ অক্টোবর টানা দুইদিনব্যাপী হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হয়।

৩৬ ঘণ্টা টানা হ্যাকথন আয়োজনের পর ২০ অক্টোবর রাত ৮টায় জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়। চূড়ান্ত হওয়া আট প্রকল্প হলো- টেক্স গার্ড, প্ল্যানেট কিট, ড্রোল ট্রি প্ল্যান্টেশন, দ্য পোলার এক্সপ্লোরেশন, রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট রোবট, নেক্স ফ্লাই, আই অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং লুনার ভিআর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রদূত আজকের তরুণ সমাজ। তারাই আগামী দিনের ডিজিটাল বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। বিশ্ব পরিমন্ডলে ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং তরুণদের সক্ষমতা তুলে ধরতে বেসিস এ নিয়ে চারবার নাসার সঙ্গে যৌথ নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮ এর আয়োজন করল। গত বছর সেরা ১২০টি প্রকল্পের মধ্যে শীর্ষ দশে বাংলাদেশের দুটি প্রকল্প ছিল। এবার পরিধি আরো বেড়েছে। বাংলাদেশ আরো ভালো করবে এটাই আমার বিশ্বাস।’

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান, সহ-সভাপতি (প্রশাসন) শোয়েব আহমেদ মাসুদ, বেসিসের সহ-সভাপতি (অর্থ) মুশফিকুর রহমান, পরিচালক তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন, নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮ এর আহ্বায়ক ও বেসিস পরিচালক দিদারুল আলম এবং নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮ এর যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল হাসান অপু।

নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮ এর আহ্বায়ক দিদারুল আলম বলেন, ‘এবার ২০০০ প্রকল্প থেকে বাছাই করে দেশের সেরা ৮টি প্রকল্প আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। গত বছর বাংলাদেশ থেকে ২টি প্রকল্প ‘গ্লোবাল পিপল’স চয়েজ ফাইনালিস্ট’ হিসেবে সম্মান অর্জন করে। এবার আরো ভালো কিছু করার আশা করছি আমরা।’

Share this:

Post a Comment

 
Copyright © Ak kotha (এক কথা). Designed by OddThemes | Free Blogger Templates