
কদিন আগে আরব আমিরাতে এশিয়া কাপে মাশরাফিরা হারিয়েছিলেন পাকিস্তানকে। যুব এশিয়া কাপেও পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের একই পরিণতি, হেরেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। অবশ্য যুবাদের আজ জিততে বেশ কাঠখড় পোহাতে হয়েছে।
জয়ের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৮৮। টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠানোর পর বোলারদের নৈপুণ্যে প্রাথমিক কাজটা সেরে রেখেছিল যুবারা। শেষ পর্যন্ত জয় এলেও সেটি বেশ কাঠখড় পুড়িয়েই। চট্টগ্রামের জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৯ যুব এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ যুবদল জিতেছে ৩ উইকেটে।
‘কাঠখড় পুড়িয়ে’ বলা হচ্ছে কারণ, ম্যাচটা বাংলাদেশ জিততে পারত আরও বড় ব্যবধানেই। ৩৪.৪ ওভারে বাংলাদেশের যখন চতুর্থ উইকেট পড়ল, তখন স্কোরবোর্ডে ১৩৯ রান উঠে গেছে। জয়ের জন্য লাগবে মাত্র ৪৯ রান, হাতে উইকেট ৬টি, ওভার বাকি ১৬—এমন সহজ সমীকরণের মুখে দাঁড়িয়ে ম্যাচটাকে অযথাই জটিল করেছেন যুব দলের ব্যাটসম্যানরা। ১৭৪ আর ১৭৬ রানের মাথায় পরপর দুটি উইকেট হারিয়ে ফেললে শঙ্কার কারণও ছিল। ১৮৪ রানের সময় সপ্তম উইকেট হারিয়ে জয়টাকে দীর্ঘায়িতই করেছেন তারা। শেষ দিকে চাপের মুখে আকবর আলীর ১৭ রান মহামূল্যবান হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে।
বাংলাদেশের শুরুটা ছিল খুবই বাজে। দলীয় ১ রানেই তানজীদ হোসেনের উইকেট হারিয়ে বসেছিল দল। ৩০ রানের সময় ফিরে যান ২১ রান করা সাজিদ হোসেন। এরপর ৪২ রানে অধিনায়ক তৌহিদ হৃদয় আউট হলে ১৮৮ রানের লক্ষ্যমাত্রাটা দূরেরই মনে হচ্ছিল। কিন্তু এ সময় প্রান্তিক নওরোজ নাবিল আর শামীম হোসেনের জুটি শুরুর ধাক্কা সামলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দেন বাংলাদেশের হাতে। নওরোজ ৯৩ বলে ৫৮ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল ৪টি চার। শামীম ১০৫ বলে ৬৫ রান করেন ৫ চার ও ২ ছয়ে।
এই দুইয়ের জুটির পর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, রাকিবুল হাসান, রিশাদ হোসেনের আসা-যাওয়া সহজ জয়টিকে কেবল কঠিনই করেছে। পাকিস্তানের সেরা বোলার ছিলেন মোহাম্মদ মুসা। ২৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া মোহাম্মদ হোসেন, নাসিম শাহ, বিলাল জাভেদ ও সাদ খান নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
কদিন আগে আরব আমিরাতে এশিয়া কাপে মাশরাফিরা হারিয়েছিলেন পাকিস্তানকে। যুব এশিয়া কাপেও পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের একই পরিণতি, হেরেছে বাংলাদেশের বিপক্ষে।
Post a Comment